कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
by आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र
Page 15 of 164
Read in context৪ কামন্দকীয় নীতিসার। করেন। নীতিগ্রহণই মঙ্গলের আলয় এবং নীতিবর্জ্জনই ধ্বংসের মূল বলিয়া পরিগণিত ॥১৩॥ যবন নামে এক ভূপতি ধর্ম্মানুসারে প্রজাপালন করিয়া দীর্ঘকাল পৃথিবী উপভোগ করিয়াছিলেন এবং নহুষ রাজা অধর্ম্ম অবলম্বন করিয়া পুনর্ব্বার ধরাতলে নিপতিত হন ॥১৪॥ অতএব পৃথিবীপতি ধর্ম্মকে সম্মুখে রাখিয়া অর্থসাধনের নিমিত্ত যত্নপ্রকাশ করিবেন। ধর্ম্মানুষ্ঠানদ্বারা রাজার রাজ্যের বৃদ্ধি হয় এবং রাজলক্ষ্মী ধর্ম্মেরই সুস্বাদু ফল। ফলতঃ ধর্ম্মানুষ্ঠান না করিলে রাজা কখনও ঐশ্বর্য্যফললাভে সমর্থ হন না ॥১৫॥ রাজা, মন্ত্রী, রাষ্ট্র, দুর্গ, ধন, সৈন্য এবং সুহৃৎ (মিত্রস্বরূপ সামন্ত নৃপগণ)—এই সপ্তাঙ্গ রাজ্য। সত্ত্ব-বুদ্ধিকে (উৎসাহ যুক্ত বুদ্ধিকে) অবলম্বন করিয়া এই রাজ্যের স্থিতি নির্দ্ধারিত হইয়াছে। যে স্থানে সত্ত্বের (উৎসাহের) অধিষ্ঠান, সেই স্থানেই সপ্তাঙ্গ রাজ্যের অস্তিত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে ॥১৬॥ রাজা বুদ্ধিফলে নীতিপথ অবগত হইয়া প্রবল সত্ত্ব (ধৈর্য্য) অবলম্বন পূর্ব্বক অথবা মহৎ উৎসাহ অবলম্বন করিয়া, সর্ব্বদাই আলস্য পরিহার- পূর্ব্বক উদ্যমের সহিত জাগরূক থাকিয়া, এই সপ্তাঙ্গ রাজ্যের লাভের নিমিত্ত যত্নবান্ হইবেন। [ রাজাদের তিনটি শক্তি আছে। প্রভুশক্তি, মন্ত্রশক্তি এবং উৎসাহশক্তি। মন্ত্রশক্তি সর্ব্বাপেক্ষা প্রধান। কিন্তু মন্ত্রশক্তিসত্ত্বেও অনেক সময়ে উৎসাহশক্তির অভাবে রাজ্যের ধ্বংস হইয়া থাকে। উৎসাহসম্পন্ন ভূপতি কখনও অবসন্ন ও বিষণ্ণ হন না। আলস্য থাকিলে উৎসাহ থাকে না। আলস্য উৎসাহের মহান্ অন্তরায়। পক্ষান্তরে উৎসাহ ও আলস্যের পরম শত্রু। উৎসাহশীল ভূপতির সপ্তাঙ্গ রাজ্যলাভ করিতে কোনই ক্লেশ পাইতে হয় না ] ॥১৭॥ ন্যায়দ্বারা বা নীতিপথের অনুসরণ করিয়া অর্থের উপার্জ্জন; ন্যায়ানুসারে উপার্জ্জিত অর্থের রক্ষণ; ন্যায়পূর্ব্বক অর্জ্জিত ও রক্ষিত অর্থের বর্দ্ধন এবং