कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 112, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें১৫শ সর্গ ] সপ্তব্যসন-বর্গ। ১০১ দুর্গকে কোষকে সৈন্যদিগকে এবং মিত্রবর্গকে ব্যসন হইতে উদ্ধার করিতে সমর্থ তিনি ত্রিবর্গ লাভ করিতে পারেন ॥৩॥ + ॥ যে নরপতির নীতিশাস্ত্রে জ্ঞান নাই, তিনি অন্ধ বলিয়া কথিত। অন্ধও বরং ভাল কিন্তু মদগর্ব্বে যিনি সৎপথ পরিত্যাগ করিয়াছেন এমন চক্ষুষ্মান্ও ভাল নহেন ॥৪॥ মন্ত্রকুশল মন্ত্রিগণ অন্ধ রাজাকে উপযুক্ত পথে পরিচালিত করেন, আর চক্ষুষ্মান্ রাজা মদান্ধ হইলে সকল রকমে আপনার বিনাশ সাধন করেন ॥৫॥ অতএব শাস্ত্রচক্ষু-নরপতি প্রধান মন্ত্রীর মতানুবর্ত্তী হইয়া ধর্ম্ম-অর্থ-বিনাশকারী ব্যসনগুলি পরিত্যাগ করিবেন ॥৬॥ ব্যসনতত্ত্বজ্ঞ পণ্ডিতগণ বাক্পারুষ্য, দণ্ডপারুষ্য ও অর্থদূষণ এই তিনটীকে ক্রোধজ-ব্যসন বলেন ॥৭॥ ব্যসনজ্ঞ পণ্ডিতগণ মৃগয়া, দ্যূত, স্ত্রী ও পান—এই চারিটীকে কামজ-ব্যসন বলিয়াছেন ॥৮॥ অপবাদ, কুৎসা ও ভর্ৎসনাকে বাক্পারুষ্য কহে। নিরর্থক বাক্পারুষ্য লোককে উত্তেজিত করে, অতএব ইহা করিবে না ; প্রিয়বাক্য বলিয়া জনসাধারণকে আত্মসাৎ করিবে ॥৯॥ যিনি হঠাৎ কুপিত হইয়া কর্কশভাবে অধিক ভর্ৎসনা করেন, তাহাকে লোক স্ফুলিঙ্গ যুক্ত অগ্নির- ন্যায় মনে করিয়া উত্তেজিত হয় ॥১০॥ তীক্ষ্ণ-অসির ন্যায় মর্ম্মচ্ছেদী বাক্যে হৃদয় বার বার বিদ্ধ হইলে তেজস্বী ব্যক্তি কুপিত হয় এবং ঐ ব্যক্তি কুপিত হইয়া বৈরিভাব ধারণ করে ॥১১॥ কর্কশবাক্যে জগৎকে উদ্বিগ্ন করিবে না। সর্ব্বদা প্রিয়ভাষী হইবে। যিনি প্রিয়ভাষী ও প্রিয়কার্য্যকারী তিনি দাতা না হইলেও লোকে তাঁহার সেবা করে ॥১২॥ [ অসিদ্ধ-সাধন বলিতে অর্থহরণ, তাড়ন ও বধ বুঝায় ] নীতিজ্ঞগণ অসিদ্ধ-সাধন-শাসনকে দণ্ড বলেন। সেই দণ্ডকে যুক্তিদ্বারাই পরিচালিত করিবে, যেহেতু যুক্তদণ্ডই প্রশংসনীয় ॥১৩॥ দণ্ডপারুষ্য-যুক্ত-নরপতি জনসাধারণকেই উত্তেজিত
- কলিকাতা সংস্করণে এই শ্লোকটি নাই ॥