कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 136, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें১৮শ সর্গ ] উপায়বিকল্প। ১২৫ দণ্ডনীতিজ্ঞ রাজা, পুরবাসী জনপদবাসী ও সেনানায়কপ্রভৃতি এবং অপরব্যক্তিগণের প্রতি আবশ্যক অনুসারে দান ও ভেদ নীতি প্রয়োগ করিয়া তাহাদিগকে বশীভূত করিবেন ৷ ৫১ ৷৷ বিচক্ষণ রাজা, অবরুদ্ধ ব্যক্তিগণ পুত্রভ্রাতাব্যতিরিক্ত জ্ঞাতিগণ সামন্তগণ এবং অপর ব্যক্তিগণের প্রতি যেরূপ আবশ্যক হইবে সেইরূপ ভেদনীতি ও দণ্ডনীতি প্রয়োগ করিয়া উহাদিগকে বশীভূত করিবেন। (পাঠান্তরে—সুস্নিগ্ধ বাক্যে অর্থাৎ বন্ধুবান্ধবগণ অপরাধী হইলে স্নেহবাক্যে মান ও দান প্রয়োগ করিয়া বশীভূত করিবেন এবং অপর ব্যক্তিগণকে যথাযোগ্য ভেদ ও দণ্ড-প্রয়োগ করিয়া বশীভূত করিবেন। কলিঃ সঃ ১৭।৫০) ৷ ৫২ ৷৷ দেবতা প্রতিমা ও স্তম্ভ ইহাদের মধ্যে অবস্থিত মনুষ্যগণ, স্ত্রীবেশ- ধারী পুরুষ, রাত্রিতে অদ্ভুত-দর্শন, বেতাল উল্কা পিশাচ ও শিলা ইহাদের রূপধারী—এইগুলিকে মানুষী-মায়া বলিয়া রাজা জানিবেন ॥ ৫৩, ৫৪ ৷৷ ইচ্ছানুসারে রূপপরিবর্ত্তন, শস্ত্র-অস্ত্র-প্রস্তর-জলবর্ষণ, অন্ধকার-বায়ু-পর্ব্বত ও মেঘের উৎপত্তি—এইগুলি অমানুষী মায়া ৷৷ ৫৫ ৷৷ ভীম স্ত্রীলোকের বেশ ধারণ করিয়া কীচককে বধ করিয়াছিলেন [ইহা মানুষী মায়া] । নল দিব্য মায়া অবলম্বন করিয়া বহুকাল রূপ প্রচ্ছন্ন করিয়া রাখিয়া ছিলেন ৷ ৫৬৷৷ উপেক্ষাকুশল ব্যক্তিগণ, অন্যায়কার্য্যে ব্যসনে ও যুদ্ধে প্রবৃত্ত ব্যক্তিকে নিবারণ না করা—এই তিন প্রকার উপেক্ষা নির্দেশ করিয়াছেন ৷৷ ৫৭ ৷৷ অকার্য্যে প্রবৃত্ত বিষয়-ভোগে অন্ধ কীচক, মরে মরুক এইরূপে বিরাট কর্তৃক উপেক্ষিত হইয়াছিল ৷ ৫৮ ৷৷ স্বার্থ-বিচ্ছেদ-ভয়ে ভীত হিড়িম্বা নিজের ভ্রাতাকে ভীমসেনের সহিত যুদ্ধে মরুক বলিয়া উপেক্ষা করিয়াছিল ৷ ৫৯ ৷৷ মেঘ-অন্ধকার-বৃষ্টি-অগ্নি-পর্ব্বত প্রভৃতি অদ্ভুত দর্শন, ধ্বজাযুক্ত দূরস্থ- সৈন্যদিগের দর্শন ও ছিন্ন-পাটিত-ভিন্ন-রক্তাক্ত সৈন্য প্রদর্শন—এইরূপ ইন্দ্রজাল শত্রুদিগকে ভয় দেখাইবার জন্য কল্পনা করিবে ৷ ৬০-৬১ ৷৷ নানার্থ সাধক নানা উপায়ের কথা বলা হইল। কালজ্ঞ রাজা এই উপায়গুলির মধ্যে