कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 148, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ेंসৈন্যদিগকে সংগ্রহ না করিয়া যুদ্ধ করিবেন না; কিন্তু যদি যুদ্ধ করিবার আবশ্যকই হয় তাহা হইলে অধিক সৈন্য লইয়া যুদ্ধ করিবেন ) ॥১৫॥ ইতি পত্তি-অশ্ব-রথ-গজ-ভূমি-নির্ণয় ॥
দানকল্পনা। কোষই সারবস্তু। অভিযান কালে ইহা গজের পৃষ্ঠে করিয়া লইয়া যাইবে এবং বিশ্বস্ত বেগগামী সৈন্য দ্বারা রক্ষিত হইবে। এই কোষ রাজার নিকট থাকিবে; কারণ রাজত্ব কোষের অধীন ॥১৬॥ সৈন্যগণ প্রশংসনীয়-কার্য্য করিলে রাজা তাহাতে বহুমান ও আদর দেখাইয়া যোদ্ধৃবর্গকে পুরস্কার দিবেন। কোন্ ব্যক্তি দাতার পক্ষে যুদ্ধ না করে? ॥১৭॥ শত্রুরাজাকে বধ করিলে রাজা হৃষ্ট হইয়া বিজয়ী বীরকে দশলক্ষ ভার দ্রব্য দান করিবেন ( পাঠান্তরে—দশলক্ষ স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার দান করিবেন )। বিপক্ষের রাজ- পুত্রকে অথবা সেনাপতিকে বধ করিলে, উহার অর্দ্ধেক দান করিবেন ॥১৮॥ প্রধান বীরগণের মধ্যে সর্ব্বপ্রধানকে বধ করিলে দশসহস্র (স্বর্ণ বা ভার) দান করিবেন। কুঞ্জর বা রথ ধ্বংস করিলে উহার অর্দ্ধেক দান করিবেন ॥১৯॥ অশ্ববধ করিলে সহস্র প্রদান করিবেন। পতিমুখ্য বধ করিলে একশত দান করিবেন। অবশিষ্ট যাহা বধ করিতে পারিবে তাহাতে মাথা পিছু বিংশতি করিয়া দিবেন। আর যুদ্ধে নিযুক্ত অন্যান্য সৈন্যগণকে মাহিনার দ্বিগুণ পুরস্কার দিবেন ( পাঠান্তরে—উহার সহিত অতিরিক্ত কুড়িটি করিয়া গাভী দিবেন ) ॥২০॥ শত্রুজয় করিয়া বাহন, স্বর্ণ এবং কুপ্য যে যাহা আনিয়াছে রাজা হৃষ্টান্তঃকরণে তাহাকে তাহাই দিবেন অথবা ঐ সকল বস্তুর অনুরূপ দ্রব্য দিয়া তাহাদের হর্ষবর্দ্ধন করিবেন ॥২১॥ ইতি দানকল্পনা ॥
ব্যূহবিকল্প। পাঁচ অরত্নিতে এক ধনু [ অরত্নি বলিতে কনিষ্ঠাঙ্গুলি পরিমিত হাত ]। যুদ্ধকালে একধনু পরিমিত স্থানে ধনুর্দ্ধারি সৈন্য থাকিবে। তিনধনু পরিমিত স্থানে অশ্বারোহী থাকিবে। পাঁচধনু পরিমিত স্থানে হস্তী সৈন্য থাকিবে।