कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 150, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें২০শ সর্গ ] ব্যূহবিকল্প। ১৩৯ ব্যামিশ্র ব্যূহের কথা বলা হইতেছে। হস্তী সাজাইবার যে নিয়ম কল্পনা করা হইয়াছে, ঐ নিয়মে নয়টি হস্তী সাজাইবে; এই নয়টি হস্তীতে একটি অনীক হয়। অর্থাৎ এক অনীকে ৪৫টি অশ্ব ও ১৩৫টি পদাতি প্রতিযোদ্ধা অগ্রে এবং ৪৫টি অশ্ব ও ১৩৫টি পদাতি পদরক্ষক থাকিবে। অনীকের রন্ধ্র পাঁচ ধনু অর্থাৎ এক একটি অনীকের মধ্যে পাঁচধনু ব্যবধান থাকিবে, ইহাই বলা হইতেছে।) ॥২৬-২৮॥ এইরূপ অনীক স্থাপনের ব্যবস্থা অনুসারে ব্যূহস্থাপন করিবে। ব্যূহের উরঃস্থান, দুইকক্ষ ও দুই পক্ষ এই গুলির গুরুত্ব সমান ॥২৯॥ উরঃস্থল, কক্ষদ্বয়, পক্ষদ্বয়, মধ্যভাগ, পৃষ্ঠদেশ, প্রতিগ্রহস্থান, ও কোটীদেশ (পশ্চাদ- ভাগের পার্শ্বদেশ) এই সাতটিকে ব্যূহশাস্ত্রজ্ঞ-পণ্ডিতগণ ব্যূহের সাতটি অঙ্গ বলিয়া থাকেন ॥৩০॥ বৃহস্পতির মতে উরঃস্থান, দুই পক্ষ ও দুই কক্ষ এবং প্রতিগ্রহ স্থান লইয়া ব্যূহ হয়। আর শুক্রাচার্যের মতে উরঃস্থান, দুই পক্ষ ও প্রতিগ্রহ স্থান লইয়া ব্যূহ হয় ॥৩১॥ শত্রু কর্তৃক অভেদ্য, সৎকুলজাত, বিশ্বস্ত, স্থিরলক্ষ্য, প্রহারে অভিজ্ঞ, এবং যুদ্ধে বিপদ্ ঘটিলে কিরূপে প্রতীকার করা যায় তদ্বিষয়ে যাহার প্রত্যক্ষ জ্ঞান আছে এইরূপ উপযুক্ত লোককে সেনাঙ্গের পতি করিবে। [দশটি সেনাঙ্গের অর্থাৎ দশটি সৈন্যদলের চালককে সেনাঙ্গপতি কহে। দশটি সেনাঙ্গপতির চালককে সেনাপতি কহে এবং দশটি সেনাপতির চালককে নায়ক কহে] ॥৩২॥ এই সেনাঙ্গপতি সকল প্রবীর পুরুষগণে পরিবেষ্টিত হইয়া থাকিবে; মিলিত হইয়া যুদ্ধ করিবে এবং পরস্পর পরস্পরকে রক্ষা করিবে ॥৩৩॥ অসারসৈন্য সমূহ ব্যূহের মধ্যস্থলে থাকিবে এবং যাহা কিছু যুদ্ধবস্তু তাহা ব্যূহের জঘনদেশে থাকিবে ॥৩৪॥ যুদ্ধ-কুশল মুণ্ড-অনীককে * (পাঠান্তরে—প্রচণ্ড সৈন্যদলকে) যুদ্ধে
- যে সৈন্য রাজস্থানের মধ্যে উৎপন্ন বলিয়া শত্রুর অভেদ্য; এরূপ সৈন্যদিগকে মুণ্ডসৈন্য কহে।