भारतकोश
कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary

आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा

DevanagariSanskritpublished164 पृष्ठ

पृष्ठ 21, कुल 164 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 21

১০ কামন্দকীয় নীতিসার। জীবের প্রাণবধ করে। যে ব্যক্তি এককালে বিষতুল্য পাঁচটি বিষয়ের সেবা করে, সে লোকের কিরূপে মঙ্গল হইবে? ॥৪৬॥ জিতেন্দ্রিয় হইয়া বিষয়ের আসক্তি ত্যাগ করিয়া যথাকালে শব্দ স্পর্শাদি বিষয় সমুদায়ের সেবন করিতে হইবে। কারণ বিষয়-সেবার ফলই সুখ। বিষয় ভোগ না করিয়া সুখের নিরাকরণ করিলে, সমস্ত ঐশ্বর্য্যই বৃথা হয়। সুখফলপ্রসূ বিষয় সেবনেরও কাল আছে; যখন তখন বিষয়-সেবন সুখ- প্রদ নয় ॥৪৭॥ যৌবনে বিষয়-ভোগের সুবিধা না হওয়ায় অতৃপ্ত ব্যক্তি বৃদ্ধাবস্থায় নারী-মুখদর্শনে অত্যন্ত আসক্ত চিত্ত হয়, কিন্তু ভোগ-সামর্থ্যের অভাবে দুঃখে চক্ষু দুইটি জলে ভাসিয়া যায়, এখন ঐশ্বর্য্য বিড়ম্বনা মাত্র। মনে হয় যৌবনের সহিত ঐশ্বর্য্য বৃথাই চলিয়া গিয়াছে ॥৪৮॥ ধর্ম্ম হইতে অর্থ, অর্থাৎ ধার্ম্মিক পুরুষের অর্থ লাভ অবশ্যম্ভাবী। অর্থ হইতে কাম, অর্থাৎ অর্থ দ্বারা কাম্যবস্তু লাভ হয়। কাম হইতে সুখরূপ ফলের উদয় হয়; কামনাপূর্ণ হইলে অন্তঃকরণে সুখের আবির্ভাব হইয়া থাকে। কিন্তু যে ব্যক্তি যুক্তিসহকারে ধর্ম্ম, অর্থ ও কাম এই ত্রিবর্গের সেবা না করে অর্থাৎ বিপরীতভাবে বা অসময়ে ইহাদের সেবা করে, সে ব্যক্তি ত্রিবর্গের বিনাশ করিয়া শেষে আপনাকেও বিনষ্ট করে ॥৪৯॥ স্ত্রী—কেবল এই আহ্লাদজনক নামটিও চিত্তকে বিকৃতই করে। বিলাস-বিভ্রমদ্বারা যখন রমণীর ভ্রূযুগল সুশোভিত হয়, যখন রমণী ভ্রূভঙ্গী- পূর্ব্বক সকটাক্ষ নিরীক্ষণ করে, তখন সেই বিলাসিনী কামিনীকে দর্শন করিলে যে কি হয়, তাহা আর কি বলিব; যাহার নামেই চিত্তবিকার, তাহার দর্শনে যে কিরূপ সর্ব্বনাশ ঘটে, তাহা কল্পনার অতীত ॥৫০॥ যে নারী নির্জ্জন স্থানে স্বীয় ভাব প্রকাশে অত্যন্ত নিপুণ, যে নারী মৃদু স্বরে গদ্‌গদ্ বাক্য বলে, যে নারীর নয়নপ্রান্ত রক্তবর্ণ, এইরূপ নারী কোন অনুরক্ত পুরুষকে মোহিত না করে? ॥৫১॥ সন্ধ্যাকাল যেরূপ চন্দ্রমণ্ডলকে নির্ম্মল এবং দীপ্তিশালী করে, সেইরূপ রমণী অন্যের কথা দূরে থাকুক,