भारतकोश
कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary

आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा

DevanagariSanskritpublished164 पृष्ठ

पृष्ठ 18, कुल 164 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 18

১ম সর্গ ] ইন্দ্রিয় বিজয়। ৭ এই পাঁচটি বিষয়, আমিষ বা লোভনীয় বস্তুর তুল্য। এই বিষয়রূপ আমিষের লোভে মন ইন্দ্রিয়দিগকে চালনা করে। কর্ণ শব্দ, ত্বক্ স্পর্শ, নেত্র রূপ, জিহ্বা রস এবং নাসিকা গন্ধকে গ্রহণ করিবার জন্য দিবারাত্র ধাবমান হইতেছে। এই বিষয়গ্রহণে ইন্দ্রিয়গণের বিরাম নাই। এই দুর্দ্দম- ইন্দ্রিয়দিগকে যত্নপূর্ব্বক নিরোধ বা দমন করিবে। ঐ ইন্দ্রিয়দিগকে জয় করিতে পারিলে মানব জিতেন্দ্রিয় হয় ॥২৭॥ বিজ্ঞান, হৃদয়, চিত্ত, মন ও বুদ্ধি—ইহারা এক পর্যায়বাচক শব্দ; ইহারা সকলেই সমান। এই জগতে আত্মা এই বিজ্ঞানাদিদ্বারা জীবকে কার্য্যে লওয়াইয়া থাকে। জীবের এইরূপে কার্য্যে প্রবৃত্তি এবং কার্য্যে নিবৃত্তি অহরহঃ সম্পাদিত হইতেছে ॥২৮॥ ধর্ম্ম, অধর্ম্ম, সুখ, দুঃখ, ইচ্ছা, দ্বেষ এবং তদ্রূপ প্রযত্ন, জ্ঞান ও সংস্কার, —এইগুলি আত্মচিহ্ন। এই সকল চিহ্ন দ্বারা আত্মনিরূপণ হয় ॥২৯॥ জ্ঞানের অয়ৌগপদ্য অর্থাৎ ক্রমবিকাশ, মনের লিঙ্গ বা চিহ্ন বলিয়া উল্লেখিত হইয়াছে। এককালে সকল বস্তুর জ্ঞান হয় না; ঘটজ্ঞান কালে পটজ্ঞানের উদয় হয় না। ভিন্ন ভিন্ন কালে ভিন্ন ভিন্ন জ্ঞানের উদয় হয়। এইরূপ জ্ঞানের এককালীন উদয় না হওয়াই মনের চিহ্ন অর্থাৎ জ্ঞানের এইরূপ অযৌগপদ্য দেখিয়া পণ্ডিতগণ মন নিরূপণ করেন। এবং নানাবিধ কার্য্যে বা নানাবিধ-বিষয়ে মনের যে সঙ্কল্প, তাহাকেই মনের কর্ম্ম বলা হইয়াছে ॥৩০॥ ইন্দ্রিয় দুই প্রকার। জ্ঞানেন্দ্রিয় এবং কর্ম্মেন্দ্রিয়। কর্ণ, ত্বক, চক্ষু, জিহ্বা এবং নাসিকা লইয়া পাঁচ;—এই পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়। পায়ু (গুহ্যদ্বার), উপস্থ (লিঙ্গ), হস্ত, পাদ এবং বাক্য—এই পাঁচটি কর্ম্মেন্দ্রিয়। এইরূপে দশটি ইন্দ্রিয় হইল ॥৩১॥ কর্ণের শব্দ, ত্বকের স্পর্শ, চক্ষুর রূপ, জিহ্বার রস এবং নাসিকার গন্ধ গ্রহণ, এই পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়ের ক্রিয়া। পায়ুর উৎসর্গ বা মলনিঃসরণক্রিয়া, উপস্থের (লিঙ্গের) আনন্দ-