कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 25, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें১৪ কামন্দকীয় নীতিসার। অনর্থ উভয়ই বর্ত্তমান ; দণ্ডনীতিতে নীতি ও অনীতি উভয়েরই শিক্ষা হয় ॥৭॥ আম্বীক্ষিকী ত্রয়ী এবং বার্ত্তা—এই তিন বিদ্যা [ সাক্ষাৎ লোকোপকারিণী ] সংবিদ্যা বলিয়া কথিত; কিন্তু [ প্রাধান্য হেতু ] দণ্ডনীতির বেচাল হইলে ঐ সংবিদ্যাগুলিও অসংবিদ্যার ন্যায় প্রতীয়মান হয় ॥৮॥ যখন দণ্ডনীতি সম্যকরূপে নেতৃপুরুষকে আশ্রয় করে অর্থাৎ দণ্ডনীতি ঠিক্ চলে, তখন বিদ্বান্ ব্যক্তিরা অবশিষ্ট তিনটি বিদ্যার সম্যকরূপে ব্যবহার করিতে পারেন ॥৯॥ এই সকল বিদ্যাতেই বর্ণ ও আশ্রমের প্রতিষ্ঠা। রাজা ঐ সমস্ত বিদ্যা রক্ষা করিবেন। এইগুলি রক্ষা করিলে তিনিও তত্তৎ- শাস্ত্রোক্ত ধর্ম্মের অংশভাগী হইয়া থাকেন ॥১০॥ সুখ ও দুঃখের ঈক্ষণ ( প্রত্যক্ষ ) হয় বলিয়া আম্বীক্ষিকী শব্দে আত্ম- বিদ্যা বুঝায়। এই আম্বীক্ষিকী দ্বারা তত্ত্ব অবগত হইয়া লোক সকল হর্ষ ও শোক পরিত্যাগ করিয়া থাকে ॥১১॥ ঋক্, যজু ও সাম এই তিনখানি বেদকে ত্রয়ী বলে। ত্রয়ী-বিহিত কার্য্যের যথারীতি অনুষ্ঠান করিলে উভয় লোক ( ইহলোকে অতুলকীর্ত্তি এবং পরলোকে অনন্ত সুখ ) প্রাপ্তি হইয়া থাকে ॥১২॥ ঋক্, যজু, সাম, অথর্ব্ব—এই চারি বেদ; শিক্ষা, কল্পসূত্র, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, জ্যোতিষ, ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদের অঙ্গ; মীমাংসাদর্শন, ন্যায়শাস্ত্র, ধর্ম্মশাস্ত্র (স্মৃতি) এবং পুরাণ—এই চতুৰ্দ্দশ প্রকার শাস্ত্রকেই ত্রয়ী বলে ॥১৩॥ বার্ত্তা বলিতে পশুপালন, কৃষি ও পণ্য ( বাণিজ্য )। বার্ত্তাই যাহাদিগের অবলম্বন এইরূপ সাধু (বণিক্) বার্ত্তা বিষয়ে সম্পন্ন (কুশল) হইলে তাহার বৃত্তির (জীবিকা-নিব্বাহের) ভয় থাকে না ॥১৪॥ দমন কার্য্যকেই দণ্ড বলে। দণ্ডবিধান করেন বলিয়াই রাজাকে দণ্ড বলে। সেই রাজার যে নীতি তাহার নাম দণ্ডনীতি। নিয়মে চালায় বলিয়াই ইহার নাম নীতিশাস্ত্র ॥১৫॥ রাজা নীতি দ্বারা আপনাকে এবং অবশিষ্ট সমস্ত বিদ্যাকে রক্ষা