कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 121, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें১১০ কামন্দকীয় নীতিসার। হইলেও যাহাতে প্রচুর লাভ অবশ্যম্ভাবী, আর যাহা অল্প-আয়াস সাধ্য এবং পরিণামে শুভাবহ সেইরূপ যুদ্ধযাত্রা করিবে কিন্তু যাহাতে কেবলমাত্র ক্ষয়- দোষই দেখা যায়, সেইরূপ অভিযান পরিত্যাগ করিবে ॥২৪॥ অশক্য-বস্তুতে উদ্যম, শক্য-বস্তুতে অসময়ে উদ্যম এবং শক্য-বস্তুতে মোহবশে উদ্যম না করা—এই তিনটিকে কার্য্যব্যসন কহে ॥২৫॥ কাম, (মৃগয়াদিতে আসক্তি), অক্ষমা (গুণের অনাদর), দাক্ষিণ্য (সরলতা), অনুকম্পা, হ্রী, (লজ্জা), সাধ্বস (সসম্ভ্রম), ক্রুরতা, অনার্য্যতা (অভদ্রতা), দম্ভ, অভিমান, ধার্ম্মিকতা (পাঠান্তরে—অতিধার্ম্মিকতা), দৈন্য (অল্প সন্তুষ্টি), স্বপক্ষের অপমান করা, দ্রোহ (প্রতিকূলাচরণ), ভয়, হস্তগত বস্তুর উপেক্ষা, শীত গ্রীষ্ম ও বর্ষার অসহিষ্ণুতা—এইগুলি কার্য্যকালে উপস্থিত হইলে অবশ্যই কার্য্য-সিদ্ধির বিঘ্ন করে ॥২৬—২৭॥ নিজ (জ্ঞাতি), মৈত্র, আশ্রিত, কুটুম্ব, কার্য্যসমুদ্ভব, (কাজকর্ম্মে বশীভূত), ভৃত্য, নানাবিধ উপচারে বশীভূত, এই সাতটিকে পণ্ডিতগণ পক্ষ বলেন ॥২৮॥ যে ব্যক্তি প্রভুর সর্ব্বদা অনুসরণ কারী, গুণকীর্ত্তনকারী, প্রভুকর্ত্তৃক স্বীয় নিন্দাসহকারী, রন্ধ্র, (প্রভুর দোষ) গোপনকারী, প্রভুর অর্থ-শুচিতা (পাঠান্তরে—শৌর্য্য) এবং উদ্যম কীর্ত্তনকারী, তাহাকেই পক্ষ ও অনুরক্ত বলিয়া জানিতে হইবে ॥২৯॥ কুলীন, আর্য্য, শাস্ত্রজ্ঞ, বিনীত, লোভশূন্য (পাঠান্তরে—মানোন্নত), সত্যবাদী (পাঠান্তরে—সভ্য), অন্যলোক কর্তৃক প্রতারিত হয় না (পাঠান্তরে—অহার্য্যবুদ্ধি অর্থাৎ অপ্রতিহত বুদ্ধি), কৃতজ্ঞ, বলবান্, মতিমান্ ও সত্ত্ববান্ এইরূপ ব্যক্তিকেই সচ্চরিত্র পক্ষ বলিয়া জানিবে ॥৩০॥ উদ্যম, মেধা, ধৃতি, সত্ত্ব, সত্য, ত্যাগ, অনুরাগ, স্থিতি (অচাঞ্চল্য), গৌরব (বিদ্বানের মান্য দেওয়া), জিতেন্দ্রিয়তা, প্রসহিষ্ণুতা (শীত গ্রীষ্মাদি সহ্য করিবার ক্ষমতা), লজ্জা, প্রগল্ভতা —এইগুলি প্রধানতঃ আত্মগুণ (পাঠান্তরে—এইগুলিকে আত্মগুণ বলে) ॥৩১॥ সম্যকরূপে নীতি পরিচালনা করাকেই মন্ত্রশক্তি কহে। কোষ ও দণ্ডকে