भारतकोश
कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)

Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary

आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा

DevanagariSanskritpublished164 पृष्ठ

पृष्ठ 131, कुल 164 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 131

১২০ কামন্দকীয় নীতিসার। বশীভূত না হয় তাহা হইলে পরে অর্থদ্বারা) শত্রুকে জয় করিবেন ॥২॥ [শত্রু জয় পক্ষে] সাম, দান, ভেদ ও দণ্ড এই চারটি এবং মায়া উপেক্ষা ও ইন্দ্রজাল এই তিনটি মোট সাতটি উপায় কথিত আছে ॥৩॥ সামপ্রভেদজ্ঞ (পাঠান্তরে—প্রয়োগজ্ঞ) পণ্ডিতগণ পরস্পরের উপকার করা, পরস্পরের গুণকীর্ত্তন করা, পরস্পরের সম্বন্ধ প্রকাশ করা, ভব্যতের শুভ সূচনা করা, মধুর বাক্যে আমি তোমারই বলিয়া আত্মসমর্পণ করা, এই পাঁচ প্রকার সাম নির্দেশ করিয়াছেন ॥৪-৫॥ প্রাপ্ত অর্থের উত্তম মধ্যম বা অধম দান, গৃহীতধনের অনুমোদনপূর্ব্বক প্রতিদান, অপূৰ্ব্ব দ্রব্যের দান, শত্রু স্বয়ংই যাহাতে ধনগ্রহণ করে তাহার প্রবৃত্তি দেওয়া এবং দেয় ধনের রেহাই করা, এই পাঁচ প্রকার দান কথিত হইয়াছে ॥৬-৭॥ ভেদনীতিজ্ঞ পণ্ডিতগণ স্নেহ ও অনুরাগ নষ্ট করা, ঝগড়া বাধাইয়া দেওয়া এবং সন্তর্জ্জন (শাসন), এই তিন প্রকার ভেদ নির্দ্দেশ করেন ॥৮॥ দণ্ড বিভাগজ্ঞ পণ্ডিতগণ বধ, অর্থ-হরণ ও ক্লেশপ্রদান, এই তিন প্রকার দণ্ড নির্দ্দেশ করেন ॥৯॥ প্রকাশ ও অপ্রকাশ ভেদে বধ দুই প্রকার। হত্যাকারী ও পারদারিক প্রভৃতি লোকপীড়নকারী শত্রুগণকে প্রকাশ্যভাবে বধ করিবে ॥১০॥ যে সকল লোক মরিলে লোক উদ্বিগ্ন হয়, যাহারা রাজার প্রিয়পাত্র এবং যাহারা ক্ষমতাসম্পন্ন বলিয়া কার্য্যে বাধা দেয়, এই সকল লোকের প্রতি উপাংশু দণ্ড (অর্থাৎ অপ্রকাশ্যে বধ) প্রশস্ত ॥১১॥ খাদ্যাদির সহিত বিষপ্রয়োগ, উপনিষদ্‌যোগ (অর্থাৎ গোপনে অগ্নিপ্রয়োগাদিদ্বারা বধ), শস্ত্রাঘাত অথবা উদ্বর্ত্তন (অর্থাৎ বিষাক্ত-অনুলেপন)—এই সমস্ত গুপ্তভাবে প্রয়োগ করিয়া দণ্ডবিধান করিবে, যাহাতে অন্যকেহ জানিতে না পারে ॥১২॥ নীতিবিশারদ রাজা কেবল জাতিতে ব্রাহ্মণ হইলেই তাহার প্রতি, অথবা ধাৰ্ম্মিক অন্ত্যজ ব্যক্তির প্রতি, ধর্ম্মের উন্নতি করিবার জন্য বধদণ্ডের আদেশ করিবেন না ॥১৩॥ যাহাদের প্রতি উপাংশুদণ্ড প্রশস্ত [রাজা]