कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 31, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें২০ কামন্দকীয় নীতিসার। নিৰ্ম্মলচিত্ত ব্যক্তিগণ যে হস্ত দ্বারা খাদ্য সামগ্রী দান করেন, দুর্বৃত্ত ব্যক্তি বিড়ালের ন্যায় সেই হস্তকেই নষ্ট করে অর্থাৎ দানের পথ মারিয়া দেয় ॥১৯॥ তীব্র বিষ যেমন উৎকৃষ্ট মন্ত্রশক্তির অসাধ্য, সেইরূপ তীব্রবাক্যরূপ বিষও উৎকৃষ্ট মন্ত্রণার অসাধ্য অর্থাৎ দুষ্টের বাক্য যে অনর্থ ঘটায় তাহার কোনরূপে সংশোধন হয় না। ফলতঃ দুষ্টবাক্যরূপ বিষউদ্গীরণকারী দুষ্ট দুর্জ্জন ব্যক্তি সর্পের ন্যায় দুইটি জিহ্বা ধারণ করে অর্থাৎ মুখে একরূপ বলে এবং অন্তরে অন্যরূপ ভাব রাখে ॥২০॥ পূজনীয় সজ্জনকে যেরূপ সম্মান করিতে হয়, নিজের হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি দুর্জ্জনকে তদপেক্ষা অধিকতর সম্মান করিবে ॥২১॥ উৎকৃষ্ট মিত্রতার নিমিত্ত এবং উত্তমরূপে সকল লোককে স্বপথে রাখিবার জন্য সকলের আনন্দবর্দ্ধক লৌকিক বাক্য ব্যবহার করিবে ॥২২॥ মানপ্রদবাক্য দ্বারা সর্ব্বদা লোকদিগকে আহ্লাদিত করিবে। নিষ্ঠুরবাক্য- প্রয়োগকারী ঐশ্বর্য্যে কুবের হইলেও লোকের উদ্বেগকারী হয় ॥২৩॥ যে বাক্য হৃদয়ে বিদ্ধ হইলে মনুষ্য অত্যন্ত সন্তপ্ত হইয়া থাকে, মেধাবী ব্যক্তি ঐরূপ বাক্যে পীড়িত হইয়াও তাদৃশ বাক্য প্রয়োগ করিবে না ॥২৪॥ নীতিভ্রষ্ট- লোকগণের প্রযুক্ত তীক্ষ্ণ এবং উদ্বেগজনক বাক্য সমুদয় অস্ত্রের ন্যায় মানুষের মর্ম্মচ্ছেদ করিয়া থাকে ॥২৫॥ কি সাধু, কি অসাধু, কি শত্রু, কি মিত্র সকলের প্রতিই সর্ব্বদা প্রিয় বাক্য বলিবে। মধুর কেকারবকারী ময়ূরের ন্যায় মিষ্টভাষী ব্যক্তি কাহার প্রিয় না হয়? ॥২৬॥ ময়ূরের মদমত্ত অবস্থার কেকারব ময়ূরকে অলঙ্কৃত করে। পণ্ডিতগণের মাধুর্য্য-গুণযুক্ত- বাক্যও তাঁহাদিগকে অতিশয় বিভূষিত করে ॥২৭॥ সুপণ্ডিতের মধুর বাক্য যেমন মনোহারী হয়, মদমত্ত হংস কোকিল ও ময়ূরের রব তেমন মনোহারী হয় না ॥২৮॥ গুণানুরাগী মর্য্যাদাপরিপালক ব্যক্তি শ্রদ্ধার সহিত দয়া-প্রবণ হইয়া ধর্ম্মের নিমিত্ত ধন বিতরণ করিবে ও মিষ্ট বাক্য বলিবে ॥২৯॥ যাঁহারা প্রিয় বাক্য বলিয়া থাকেন এবং সংকার (সম্মান) প্রদান করেন, সেই