कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 45, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें৩৪ কামন্দকীয় নীতিসার। করেন তাহার অর্থ ই নিষ্ঠুরতা ; এবং সভা মধ্যে তাহার কেবল নিন্দাই প্রকাশ করেন ॥৪১॥ [তাহার প্রতি] কুপিত না হইয়াও কোপভাব দেখান, প্রসন্নতাও নিষ্ফল। [ঐ অনুজীবী] কিছু বলিতে আরম্ভ করিলে হঠাৎ চলিয়া যান এবং রুক্ষভাবে বার বার দেখেন ॥৪২॥ [বিনা কারণে হাসেন ও চলিয়া যান, রুক্ষভাবে দেখেন, বৃত্তির জন্য জানাইলে সহসা উঠিয়া চলিয়া যান।] * মর্ম্মচ্ছেদী কথা বলেন, গুণের বিশেষ আদর করেন না, দোষই দেখেন এবং বৃত্তিচ্ছেদ করেন ॥৪৩॥ ভাল কথা বলিলেও সেই কথা অন্য ভাবে সমর্থন করেন এবং অসন্তুষ্ট হইয়া কথার মাঝখানে কথা বন্ধ করিয়া দেন ॥৪৪॥ শয্যায় উপাসনা করিলে নিদ্রিতের ভাণ দেখান, যত্ন করিয়া জাগাইলেও (পাঠান্তর—আরাধনা করিলেও) নিদ্রিতের ন্যায় চেষ্টা দেখান অর্থাৎ পাশ ফিরিয়া শয়ন করেন। [এইগুলি অনুজীবীদিগের প্রতি বিরক্তের লক্ষণ] ॥৪৫॥ এই পর্য্যন্ত যাহা যাহা বলা হইল এই সমুদয় অনুরক্ত ও বিরক্তের লক্ষণ॥ অনুরক্তের নিকট হইতে বৃত্তি কামনা করিবে এবং বিরক্তকে পরিত্যাগ করিবে ॥৪৬॥ নির্গুণ স্বামীকেও আপৎকালে ত্যাগ করিবে না। যে অনুজীবী বিপৎকালেও প্রভুর সেবা করে তাহার ন্যায় শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি আর কেহই নাই ॥৪৭॥ শান্তির সময়ে বহুপ্রকৃতি-অনুজীবীবর্গের কার্য্যকারিত্ব ঠিক লক্ষ্য-পথে আসে না, কিন্তু বিপৎকালে (বিরোধ কালে—পাঠান্তর) এই সকল ধৰ্ম্ম-ধুরন্ধর-(কর্ম্মধুরন্ধর—পাঠান্তর) গণের নাম উৎকর্ষ লাভ করিয়া থাকে ॥৪৮॥ মহৎ ব্যক্তিগণের যে উপকারিতা তাহা প্রশংসনীয় এবং আনন্দনীয়। এই উপকার অল্প মাত্র হইলেও যথাকালে অত্যন্ত অভ্যুদয় ও কল্যাণসাধন করে ॥৪৯॥ অকার্য্যে নিষেধ করা এবং সৎকার্য্যে প্রবৃত্তি দে ওয়া ইহাই সংক্ষেপে বন্ধু মিত্র এবং অনুজীবীদিগের সদ্বৃত্ত (উত্তম ব্যবহার) বলিয়া কথিত হয় ॥৫০॥
- এই শ্লোকটি টীকাকারের পুস্তকে অতিরিক্ত আছে।